ঢাকা , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ , ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৪-১১ ২৩:৪৮:৫৫
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই : শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই : শিক্ষামন্ত্রী
                                       মুস্তাফিজুর রহমান লিটন :

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শহিদ ওসমান বিন হাদী অডিটোরিয়ামে আঞ্চলিক স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। আমি এর দায়িত্ব পেয়েছি, কোনো অবস্থাতেই কারিগরি শিক্ষাকে অবহেলা করা যাবে না। এ শিক্ষার মাধ্যমেই আমাদের উন্নয়নের নতুন বিপ্লব ঘটাতে হবে।

সেমিনারে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে তোমরা হায়ার এডুকেশনের সাথে সম্পৃক্ত করতে যেও না। কারিগরি শিক্ষা হচ্ছে, স্বল্প সময়ে হাতে কলমে শিখে রুটি রোজগার করে দেশকে স্বাবলম্বী করা, পরিবারকে স্বচ্ছল করা এবং সমাজকে সেবা করা। জার্মান, জাপান, ইউএসএ, কানাডা কারিগরি শিক্ষায় উন্নত হয়েছিল বলেই তারা পৃথিবীতে বড় দেশ হয়েছিল। আমি সেই কারিগরি শিক্ষার কথা বলছি।  মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে নামিদামি পলিটেকনিক আছে কিন্তু

সেখানে স্টুডেন্ট পাওয়া যায় না। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, রাজশাহী পলিটেকনিকে সাড়ে চার হাজার স্টুডেন্ট। আগামীতে শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধি পাবে। তবে এই বাজেট যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হলে শিক্ষার কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যয় করা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে ব্যয়ের ক্ষেত্রে সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণের বিকল্প নেই।

সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ার কারণ, তাদের অগ্রগতি এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার উপায় সম্পর্কে জানতে চান। জবাবে শিক্ষার্থীরা অনিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা গ্রহণে বিলম্ব এবং কারিকুলামের সঙ্গে সিলেবাসের অসামঞ্জস্যতাসহ নানা সমস্যার কথা তুলে ধরে।

এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, মন্ত্রী আসেন ও যান, কিন্তু আমাদের সবারই প্রধানমন্ত্রীর নিকট জবাবদিহি করতে হয়। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মন্ত্রী এসময়, জাতি গঠনের লক্ষ্যে সবার সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ